চিত্রনায়িকা সিমলা বিয়ে করেছেন কাকে বিয়ে করেছেন স্বামী ১৯ বছরের ছোট

চিত্রনায়িকা সিমলা বিয়ে করেছেন  স্বামী ২০ বছরের ছোট
ছবি ইন্টারনেট
ঢালিউডে অনেক দিন ধরেই খোঁজ নেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী সিমলার। অনেকে নতুন কাজ নিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। ঢালিউডে এবার বেশ জোরেশোরে গুঞ্জন উঠেছে সিমলার বিয়ে নিয়ে। তবে এবার সব গুঞ্জনকে ছাপিয়ে সিমলার বিয়ে নিয়ে সত্যতা নিশ্চিত করছে কয়েকটি গণমাধ্যম।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে সোমবার গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ‘দীর্ঘ ব্যাচেলর জীবনের ইতি টেনেছেন বাংলা সিনেমার এক সময়কার জনপ্রিয় এ নায়িকা। গত বছরের অক্টোবরের শুরুর দিকে কোন এক দিন তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।’


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর মাহি বি জাহান। পেশায় ব্যবসায়ী। থাকেন যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম শহর লন্ডনে। পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করেন সেখানে। আর তাদের বিয়েতে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজন ও বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। ভালোলাগা থেকে ভালবাসা, এরপর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।
আরও জানা গেছে, বর মাহির বাড়ি বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জে। তবে তাদের বয়সের পার্থক্য হিসেব করলে সিমলা মাহির চেয়ে বয়সে প্রায় ১৮-১৯ বছরের বড়।
এ বিষয়ে কথা বলতে সিমলার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাতে পাওয়া যায়নি। এরপর মাহির সাথের যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, তবে তাকেও পাওয়া যায়। দুজনের ফোনই বন্ধ পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে সময় বদলে গিয়েছে। সেই সঙ্গে পাল্টে গিয়েছে সিমলার ক্যারিয়ারের চিত্রপটও। ক্যারিয়ারের জৌলুশ সময় আগের মতো আর নেই। তারপরও আত্মপ্রত্যয়ী তিনি। ভালো কাজ দিয়ে দর্শকদের কাছে থাকতে চান। সে লক্ষ্যেই স্বপ্ন বুনে চলেছেন এখনও। এদিকে বেশ কিছুদিন আগে সিমলার কাছে বিয়ের বিষয়ে তার ভাবনা জানতে চাওয়া হয়েছিলো।
তখন তিনি বলেছিলেন, ‘মানুষ হিসেবে একটা বোধ আছে তো। বিয়ের বিষয়টা সম্পূর্ণ স্রষ্টার হাতে। আমি চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমি চাইলেও করতে পারিনি। তার মানে আমার দ্বারা আপতত সম্ভব নয়। সৃষ্টিকর্তা যেদিন চাইবে সেদিন হবে। তবে ব্যাচেলর জীবনটাকে উপভোগ করছি। যে এই অনুভূতিটা উপভোগ করে সেই জানে। আর বিয়ের সময় তো এখনও ফুরিয়ে যায়নি। আমার চুলগুলো তো এখনও কালো।’
সিমলা এরই মধ্যে শেষ করেছেন রশিদ পলাশের ‘নাইওর’ ছবির শুটিং। কাজ করছেন রুবেল সিদ্দিকীর ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ ছবিতে। সেটির কাজও শেষ প্রায়। খুব শিগগিরই কাজ শুরু করার সম্ভাবনা আছে ‘ম্যাডাম ফুলি-২’ ছবির কাজও। ১৬ বছর পর ছবিটির সিক্যুয়েল নির্মাণ করতে যাচ্ছেন আশিকুর রহমান। এ নিয়ে ভীষণ আশাবাদী তিনি।
প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন এমন স্বল্প অভিনেত্রীর মধ্যে সিমলা অন্যতম। শহীদুল ইসলাম খোকনের পরিচালনায় ‘ম্যাডাম ফুলি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন ১৯৯৯ সালে। প্রথম ছবির এই সাফল্যে তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
সিমলার শৈশব কৈশোর কেটেছে ঝিনাইদহের শৈলকূপায়। শৈলকূপা গার্লস স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি শৈলকূপা সরকারী কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হন। কিন্তু দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময়ই চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন বলে পড়াশোনার ইতি ঘটে। সিমলার বাবা প্রয়াত আব্দুল মাজেদ একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। মা একজন গৃহিণী। ৬ ভাই ও ৫ বোনের মধ্যে সিমলা সবার ছোট।

Powered by Blogger.